বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৬

কি করবেন আপনার বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে............

আজ আমি আপনাদেরকে জানাতে চাই আমাদের অতি প্রযোজনীয় একটা বিষয় । কি করনী যখন কারও বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে যাবে । আমি দোয়া করি যেন কারও এমনটা না হয় তারপরও যদি হয়ে যায় তবে নিচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন ।

প্রথমে যা করবেনঃ সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করবেন ।জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখবেন । এরপর যে কোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তি দিবেন । বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করবেন ।থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করবেন । এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিবেন । টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির কপি জমা দিতে হবে হবে ।
আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃআবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
কত টাকা লাগবেঃসাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।

বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৬

সিরিয়াল কী খোজার সিষ্টম ...

মন আছেন সবাই। ভালো তো? ভাল থাকলেই ভাল লাগে। আর ভাল না থাকলে আশা করি এই টিউন পড়ার পর ভাল হয়ে যাবে।
এখন আর সমস্যা নেই আপনার সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কি বের করার জন্যে। আমরা যখন সফটওয়্যার ব্যবহার করি তখন দেখা যায় বেশির ভাগ ডেমো ভার্সন থাকে। আর এই ডেমো ভার্সনকে অরজিনাল করার জন্যে দরকার Crack File বা Serial Key.
আর এই সিরিয়াল কি বের করার সহজ উপায় নিয়েই আমি আজ হাজির হয়েছি আপনারদের সমানে। আশা করি এর মাধ্যমে সহজেই আপনার সফটওয়্যারের সিরিয়াল কি বের করতে পারবেন।
তো চলুন দেখা যাক কিভাবে এটি করব !!!
১। প্রথমে Google এ যান
২। তারপর সার্চ বক্সে আপনার সফটওয়্যারের নাম এবং সাথে যোগ চিহ্ন দিয়ে এই কোডটি (94fbr) লিখুন। অন্যথায় নিচের ছবিটি দেখুন।

ঠিক এভাবেই লিখুন তারপর দেখুন নিচের ছবির মত আসবে।

তারপর এখানে থেকেই আপনি নিয়ে নিন আপনার সফটওয়্যারের সিরিয়াল কি।