বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

Windows Update Service Permanent Off করুন সহজেই

 To stop Windows 11 updates permanently, disable the Windows Update service and use the Group Policy or Registry Editor. Note that this disables vital security patches and may cause background services to misbehave. Proceed with caution.




Method 1: Disable the Windows Update Service
  1. Press Win + R to open the Run dialog. Type services.msc and press Enter.
  2. Scroll down to find Windows Update. Right-click it and select Properties.
  3. On the General tab, change the Startup type to Disabled.
  4. Click the Stop button if the service status is running.
  5. Switch to the Recovery tab. Change First failure, Second failure, and Subsequent failures all to Take No Action.
  6. Click Apply, then OK. Restart your computer.
Method 2: Use Group Policy Editor (Windows 11 Pro/Enterprise)
  1. Press Win + R, type gpedit.msc and press Enter.
  2. Navigate to Computer Configuration > Administrative Templates > Windows Components > Windows Update > Manage end user experience.
  3. Double-click on Configure Automatic Updates.
  4. Set it to Disabled. This forces all updates to be manual.
  5. Click Apply and OK. 
Method 3: Edit the Registry (Windows 11 Home)
Warning: Modifying the registry can cause system instability if done incorrectly. 
  1. Press Win + R, type regedit and press Enter.
  2. Navigate to HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\Windows.
  3. Right-click the Windows folder, select New > Key, and name it WindowsUpdate.
  4. Right-click the new WindowsUpdate folder, select New > Key, and name it AU.
  5. Click on the AU key. In the right pane, right-click any empty space and select New > DWORD (32-bit) Value.
  6. Name it NoAutoUpdate. Double-click it and change the Value data from 0 to 1. Click OK.
  7. Restart your PC. 
Method 4: Set Connection as Metered (Simple, temporary fix)
  1. Open Settings (Win + I) and go to Network & internet.
  2. Click on your active connection (Wi-Fi or Ethernet).
  3. Toggle the Metered connection switch to On. This will prevent Windows from auto-downloading large updates over this connection.
For a visual walkthrough of the Windows services method:

মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

স্ট্রোক হওয়ার আগেই শরীর দেয় এই সিগন্যাল! জানুন এখনই

 

স্ট্রোক হওয়ার আগেই শরীর দেয় এই সিগন্যাল! জানুন এখনই

চলুন জেনে নেই, স্ট্রোকের আগে শরীর যে ৫টি অ্যালার্মিং সিগন্যাল দিয়ে থাকে—

১. ভারসাম্য হারানো বা চলতে সমস্যা হওয়া

হঠাৎ করে হেঁটে যাওয়ার সময় ভারসাম্য হারানো, মাথা ঘোরা বা শরীর দুর্বল লাগা—এসবই স্ট্রোকের সম্ভাব্য পূর্বাভাস হতে পারে। বিশেষ করে যদি বয়স বেশি হয়, তবে একে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।

২. তীব্র মাথাব্যথা—কোনো কারণ ছাড়াই
যদি হঠাৎ করে খুব তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয়, এবং এর পেছনে কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকে—তাহলে এটি হতে পারে স্ট্রোকের ‘সাইলেন্ট সিগন্যাল’।

৩. হঠাৎ মুখ, হাত বা পা অবশ হয়ে যাওয়া
শরীরের এক পাশ—বিশেষ করে মুখ, হাত বা পা হঠাৎ অবশ লাগলে সেটা হতে পারে স্ট্রোকের আগাম ইঙ্গিত। অনেকে এটা ‘নর্মাল অবস্থা’ ভেবে উপেক্ষা করেন, কিন্তু এটি হতে পারে মারাত্মক ভুল।

৪. চোখে ঝাপসা বা দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া

স্ট্রোকের পূর্বাভাস হিসেবে এক চোখে বা উভয় চোখেই হঠাৎ ঝাপসা দেখা, ডাবল ভিশন বা চোখে অন্ধকার দেখা দিতে পারে। এরকম হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৫. কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বলতে অসুবিধা
স্ট্রোকের আগের দিনগুলোতে কথা জড়িয়ে যাওয়া, অস্পষ্টভাবে কথা বলা কিংবা সাধারণ শব্দও মনে না পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের ব্যাঘাতের লক্ষণ।

কী করবেন এসব লক্ষণ দেখা দিলে?
এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক একসাথে দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ‘গোল্ডেন আওয়ার’—প্রথম ৩ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করলে অনেকাংশেই ক্ষয়ক্ষতি রোধ করা যায়। 

স্ট্রোক নিয়ে হালকাভাবে ভাবার সুযোগ নেই। সময় থাকতেই সচেতন হন, নিজেকে ও প্রিয়জনকে সুরক্ষিত রাখুন।

সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩

ঠিক করুন আপনার যে কোন ধরনের Corrupted পেনড্রাইভ, মেমোরি কোন প্রকার সফটওয়ার ছাড়াই।

 


আসসালামু আলাইকুম,

আজকে আমি আপনাদের শেখাবো কিভাবে Corrupted পেনড্রাইভ, মেমোরি ঠিক করা যায়। তো কথা না বাড়িয়ে কাজে চলে যাই। প্রথমে আপনার উইন্ডোজের START এ কিল্ক করে RUN এ গিয়ে cmd লিখে enter চাপুন। নিচের ছবির মত করে ।
তারপর Command Prompt চালু হবে।এখন আপনার স্বাদের কম্পিউটারে  Corrupted পেনড্রাইভ বা মেমোরি লাগান।
১ নং ধাপ – এখন প্রথমে টাইপ করুন একসাথে ( diskpart ) তারপর enter চাপুন।
২ নং ধাপ – অবার টাইপ করুন ( list disk ) এখন আপনার ড্রাইভ শো করবে। দেখুন আপনার Corrupted পেনড্রাইভ, মেমোরির ড্রাইভ কোনটা ।
৩ নং ধাপ – যদি disk 1 বা disk 2 হয় তাহলে যথাক্রমে ( select disk 1 বা select disk 2 ) টাইপ করুন এবং enter চাপুন।
৪ নং ধাপ – এখন ( clean ) লিখে enter প্রেস করুন।
৫ নং ধাপ – টাইপ করুন ( create partition primary ) লিখে enter প্রেস করুন।
৬ নং ধাপ – টাইপ করুন ‍( active ) লিখে enter প্রেস করুন।
৭ নং ধাপ - টাইপ করুন ‍( select partition 1 ) লিখে enter প্রেস করুন। ( আপনার ড্রাইভ অনুয়ায়ী আগেই বলেছি যথাক্রমে)
৮ নং ধাপ – টাইপ করুন ( format fs=fat32 ) লিখে enter প্রেস করুন। আপনি চাইলে fat32 এর বদলে ntfs ফরমেটে ফরমেট দিতে পারেন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ এখন Corrupted পেনড্রাইভ বা মেমোরি ফরমেট হতে থাকবে। 100% হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। 100% হলে ‍Successfully দেখাবে এখন ( exit ) লিখে enter প্রেস করলে Command Prompt বন্ধ হবে । এখন My computer ওপেন করে দেখুন ঠিক হয়ে গেছে।
যদি তবুও না পারেন বা কারো অসুবিধা হলে নিচে স্ক্রিনশট দিলাম আবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

Recycle Bin এ যোগ করুন আপনার নিজের নাম....

 



আসসালামুয়ালাইকুম। কেমন আছেন । আশা করি ভালই আসেন। আজ আমি যে বিষয়টা আপনাদের জানাব টা হোল কম্পিউটার এর মনিটর এ সব সময়ই আমরা দেখি Recycle Bin নামের একটা ফোল্ডার। আমরা যা কিছু রিমুভ করি সেই সব কিছু এই ফোলদার এ এসে জমা হতে থাকে। কিন্তু মজার বিষয় হলো আমরা আই Recycle Bin নামের ফোল্ডার টিকে আলাদা নামে সেভ করতে পারি না। আজ আমি আপনাদের বলব কিভাবে Recycle Bin নাম টা পরিবর্তন করা যায়। এটা windows  এর  registry edit অপশন এর কাজ। তাই বাকি টুকু ইংলিশ এ লিখলাম।
1) Go to 'Start' menu and click on 'Run' command.

2) Write down 'regedit' there. You will see Registery Editor Window on your Screen.

3) Now, On the Left Hand Side of the Window you will see a Tree of folders Just double click on the HKEY_CURRENT_USER folder.

4) Now, in the new folder Tree double click on the 'Software' folder.

5)  Then double click on 'Microsoft' folder>'Windows' folder>'Current Version' folder>'Explorer' folder>'CLSID' folder.

6)Now, You will see a Tree of  folder.  Click on the folder : '{645FF040-5081-101B-9F08-00AA002F954E}'.

7) Finally, after Clicking on '{645FF040-5081-101B-9F08-00AA002F954E}' folder. Go to the Right Hand Side of the Same window and double click on the "Default" option and write in the name which you want to display instead of  Recycle.
এখন কম্পিউটার টি রিফ্রেশ করে দেখেন কি মজা।

ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেননা। 

মাউসের কিছু অজানা ব্যবহার

 



অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই কম্পিউটার মাউসের সম্পূর্ণ ব্যবহার না জানার ফলে এর থেকে পরিপূর্ন সুবিধা আদায় করতে পারেন না। মাউসের ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে যেমন আপনার বিভিন্ন কাজ সহজ হয়ে যাবে তেমনি আপনার কাজের গতিও বৃদ্ধি পাবে। নিচে কম্পিউটার ব্যবহার কারীদের মাউস ব্যাবহারের কিছু টিপস দেওয়া হলো।
# শিফট বাটন ও মাউস ক্লিক
অধিকাংশ ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা টেক্সট এডিটর এ শিফট কী ও মাউস ক্লিকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বা আংশিক লেখা হাইলাইট বা সিলেক্ট করা যায়। যেমন: লেখার সময় কর্সরকে যে কোনো একটি প্যারাগ্রাফের শুরুতে রাখুন এরপর শিফট-কী চেপে ধরে উক্ত প্যারাটির শেষে ক্লিক করুন ব্যাস পুরো প্যারাটিই সিলেক্টেড হয়ে যাবে।
এক্সট্রা টিপস: একই কলামে অবস্থিত টেক্সট সিলেক্ট করার জন্য Alt কী চেপে ধরে ড্রাগিং করে আপনার কাংক্ষিত অংশটি সিলেক্ট করে নিতে পারেন।
# Scroll wheel এর সম্পূর্ণ সুবিধা ব্যবহার
বর্তমানে অধিকাংশ মাউসেই স্ক্রোল হুইল আছে। এর মাধ্যমে যে কোনো পেজ এর ওপর নিচে যাওয়া যায়। কিন্তু ছাড়াও আরও কিছু কাজে এই হুইলটি ব্যবহার করা যায়। এখানে তেমন কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো:
1. মাউস হুইলটি শুধু একটি হুইলই নয় এটি একটি বাটন হিসেবেও কাজ করে। মাউস হুইলটিকে অনেকটা মাউসের তৃতীয় বাটন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মাউস হুইলের মাধ্যমে যে কোনো লিংকের ওপর ক্লিক করলে তা
নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হয়। আবার যে কোনো ট্যাবের ওপর মাউস হুইল দিয়ে ক্লিক করে ট্যাবটিকে বন্ধও করা যায়।
2. ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় শিফট কী চেপে ধরে নিচে বা ওপরে স্ক্রল করলে অতি তাড়াতাড়ি পেজটির ওপরে বা নিচে যাওয়া যায়।
3. Ctrl কী চেপে ধরে ওপরে বা নিচে স্ক্রল করে ওয়েবপেজ/ওয়ার্ড পেইজকে জুম করে দেখা যায় আবার ছোটও করা যায়।
ডাবল ক্লিক ও ট্রিপল ক্লিকের মাধ্যমে সিলেক্ট করা
যে কোনো শব্দের ওপর ডাবল ক্লিক করে শব্দটিকে সিলেক্ট করা যায়। একটি সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদ সিলেক্ট করার জন্য যে কোনো অনুচ্ছেদ বা প্যারাগ্রাফের যে কোনো অংশে ট্রিপল ক্লিক বা একসাথে তিনবার ক্লিক করুন।
রাইট ক্লিকের ব্যবহার
যে কোনো ফাইল বা সিলেক্ট করা টেক্স এর ওপর রাইট ক্লিক করে এর মাধ্যমে ফাইলটির প্রোপার্টিস দেখা, কপি, পেস্ট করা সহ আরও অনেক কিছু করা যায়। এছাড়াও কোনো ফাইল বা টেক্সট এর ওপর রাইট ক্লিক করে তা কোথাও ড্রাগ করে ছেড়ে দিলে ফাইলটিকে কপি/মুভ করার অপশন পাওয়া যাবে।
# Ctrl কী ও মাউস ক্লিক
কন্ট্রোল কী চেপে ধরে বিভিন্ন ফাইলের ওপর ক্লিক করে ফাইলগুলোকে একসাথে সিলেক্ট করে নেওয়া যায়। ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় Ctrl চেপে ধরে যে কোনো লিংকের ওপর রাইট ক্লিক করলে লিংকটি নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হবে।
মাউসের সাইড বাটনের ব্যবহার
বর্তমানে নতুন মডেলের মাউসগুলোতে মাইসের দুই সাইডে এক্সট্রা দুইটি বাটন থাকে। এই বাটনদুটিকে নিজের ইচ্ছা মতো প্রোগ্রামিং করে সুবিধাজনক কাজে ব্যবহার করা যায়। সাধারনত ডিফল্ট ভাবে লেফট থাম্ব বাটন দিয়ে ব্রাউজিং এর সময় পেছনের পেজে যাওয়া যায়। এতে করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং আরও আনন্দের হয়ে ওঠে।
উইন্ডোজ এর Snap To সুবিধার ব্যবহার
উইন্ডোজের স্ন্যাপ টু ফিচারটির মাধ্যমে মাউস কার্সর অটোমেটিকভাবেই কোনো ডায়লগ বক্সের বাটনে চলে যায়। যেমন কোনো ফাইল ডিলিট করার সময় উইন্ডোজ আপনাকে সতর্কতামূলক বার্তা দেখানোর জন্য একটি ডায়লগ বক্স প্রদর্শন করবে। এক্ষেত্রে স্ন্যাপ টু সুবিধাটি চালু করা থাকলে মাউস কার্সরটি আপনা আপনি Ok বাটনে চলে যাবে ফলে আপনাকে শুধু ক্লিক করলেই হবে। এই সুবিধাটি চালু করতে কন্ট্রোল প্যানেল এ অবস্থিত মাউস প্রোপার্টিস থেকে Snap To অপশনটি চালু করে দিন।
ওপেন করা উইন্ডো ম্যানেজ করা
যে কোনো ওপেন করা উইন্ডো এর টাইটেল বারে ডাবল ক্লিক করে উইন্ডোটিকে ম্যাক্সিমাইজ অথবা রিসাইজ করা যাবে। এছাড়াও ওপেনকৃত উইন্ডোর সবার ওপরে বাম দিকে অবস্থিত লোগোটিতে ডাবল ক্লিক করলে উইন্ডোটি বন্ধ হয়ে যাব।

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত

 

ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত 👇👇👇👇
এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ্
🔘১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী,কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর!
__(বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪...মুসলিম--৬৬১)
🔘২.রাসূল (সাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
__(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি--২১৮৪)
🔘৩.রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
__(বুখারী-মুসলিম)
 
 

 
🔘৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
__(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)
🔘৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, " যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
__(আবু দাউদ --৪৯৪,,,,তিরমীযি)
🔘৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।__(বুখারী-৫৭৩)
🔘৭.যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
__(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)
🔘৮.ফজরের সালাত আদায়কারী,রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
__(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)
🔘৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
__(জামে তিরমিজি - ৪১৬)
🔘১০..ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।
__(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)
সুবহানাল্লাহ্...... আল্লাহ্ আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন 🤲
আমিন