বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৬

জেনে নিন নামাজের আশ্চর্য বৈজ্ঞানিক উপকারিতা.....

 

১) নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়
।২) আমরা যখন নামাজে দাঁড়াই তখন আমাদের চোখ যায় নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে বা সিজদাহর জায়গায় স্থির অবস্থানে থাকে, ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩) নামাজের মাধ্যমে আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।
৪) নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন আসে।
৫) নামাজ মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলাঙ্গতা লোপ পায়।
৬) নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে। যেমন, ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয়; এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।
৭) নামাজে ওজুর সময় মুখমণ্ডল ৩ বার ধৌত করারফলে আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায়।
৮) ওজুর সময় মুখমণ্ডল যেভাবে পরিষ্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে এক প্রকার মেসেস তৈরি হয়; ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলি রেখা কমে যায়।
৯) কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে; এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে।
১০) নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনী শক্তি বৃদ্ধি পায়
।১১) কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয়; ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায়কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।তাছাড়া সবচেয়ে বড় কথা নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায় ।

শনিবার, ২১ মে, ২০১৬

খুলনার কয়রা উপজলার কাটকাটা পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা

কয়রা উপজলার কাটকাটা পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা
এক পাশে কপোতাক্ষ, অন্য পাশে শাকবাড়িয়া নদী। অদূরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সুন্দরবন। সুন্দরবন আর দুই নদীর মাঝের স্থানটির নাম কাটকাটা। সুন্দরবন থেকে সংগৃহীত কাঠ এখানে এনে কাটা হয় বলে হয়তো স্থানটি এ নামে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। এখানে আজো বাস করেন বেশকিছু আদিবাসী মুণ্ডা মাহাতো পরিবার। স্থানীয়রা জানান, পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান কয়রার কাটকাটা। পরিকল্পিতভাবে এখানে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে এলাকার চালচিত্র বদলে যাবে। পর্যটন কেন্দ্র ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন নতুন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থানের। সরকারি কোষাগারে জমা হবে লাখ টাকার টাকার রাজস্ব।
জানা গেছে, খুলনার কয়রা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দক্ষিণে কাটকাটার অবস্থান। এখানে দাঁড়ালে উপভোগ করা যায় সুন্দরবনের কয়েক কিলোমিটার এলাকার সৌন্দর্য। শোনা যায়, এখান থেকে সুন্দরবনের বাঘ, হরিণ ও পাখপাখালির ডাকও শোনা যায়। যে কারণে স্থানটি ঘুরে দেখতে বছরজুড়ে দেশী-বিদেশী পর্যটক ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। কাটকাটাকে পরিকল্পিভাবে পর্যটন উপযোগী এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট, দুবলারচর, কটকা-কচিখালী, করমজলের মতো দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠবে। সুন্দরবনের অন্য দর্শনীয় স্থানগুলো যেমন লোকালয় থেকে অনেক দূরে, তেমনি সেসব স্থানে পর্যটকদের পৌঁছতে অনেক কষ্ট করতে হয়। তবে কাটকাটা এলাকায় সহজে পৌঁছানো সম্ভব এবং এখানে বসে ২৪ ঘণ্টা সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটক- দর্শনার্থীরা। একই সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত কপোতাক্ষ নদের সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন।
সুন্দরবন নিয়ে কাজ করেন, এমন একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা জিয়া উদ্দীন আহমেদ বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন এ এলাকাকে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে একদিকে কমবে বনের ওপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরশীলতা, অন্যদিকে এলাকার অধিকাংশ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পর্যটন খাতে সুন্দরবন থেকে বছরে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়, তা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। কাটকাটাকে পর্যটক শিল্পের অপার সম্ভাবনার স্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়কপথে সহজে এখানে পৌঁছানো যায় ।এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এখানে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে সুদৃঢ়। ফলে এখানে দেশী এবং বিদেশী পর্যটকের প্রচুর সমাগম হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুন্দরবনের এক বন কর্মকর্তা বলেন, কাটকাটা থেকে সহজে হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চরে পৌঁছানো যায়। এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে সুন্দরবনের বিশাল অংশের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি সাগর উপকূলের নদ-নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। এছাড়া পর্যটক ও নিরাপত্তাকর্মীদের আনাগোনায় সুন্দরবনের অবৈধ অনুপ্রবেশ অনেকাংশে কমে যাবে।

## কপি করা ##

শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬

কিভাবে SSC ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন করবেন

 ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন করতে বোর্ড এ যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। চাইলে ঘরে বসে মোবাইল থেকেই ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন এর জন্যে আবেদন করতে পারবেন। তার জন্যে যা যা লাগবেঃ
    টেলিটক সংযোগ সহ একটি মোবাইল ফোন। ( শুধুমাত্র টেলিটক আপারেটর থেকেই ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন সম্ভব কিন্তু যাদের টেলিটক সিম নেই তাদের চিন্তার কিছু নেই, তারাও চাইলে অন্য কারো সিম ব্যাবহার করে অথবা ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন এর আবেদন করে এ ধরণের কোন দোকান থেকেও আবেদন করতে পারবেন)

    মোবাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যানান্স ( প্রতিটি বিষয়ের আবেদনের জন্যে মোবাইল থেকে আবেদন ফি বাবদ ১২৫ টাকা করে কেটে নেওয়া হবে। যে সকল বিষয়ের ২ টি পত্র রয়েছে যেমনঃ বাংলা ও ইংরেজি সে সকল বিষয়ের ক্ষেত্রে একটি বিষয় কোডের বিপরিতে ২ টি পত্রের আবেদন বলে গণ্য হবে। যেমনঃ বাংলা উভয় পত্রের বিষয় কোড ধরা হবে ১০১ এবং ইংরেজি উভয় পত্রের বিষয় কোড ধরা হবে ১০৭। তাই এ ক্ষেত্রে খরচ হবে ২৫০ টাকা )

    আপনার সাথে যোগাযোগ এর একটি ব্যাক্তিগত নম্বর (বাংলাদেশের যে কোন অপারেটর এর নম্বর দিতে পারবেন)

আবেদন করতে এসএমএস করবেন যেভাবেঃ
মোবাইল এর ম্যাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেন-
RSC<স্পেস>আপনার বোর্ড এর নামের প্রথম ৩ অক্ষর<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>বিষয় কোড
উদাহরণঃ যশোর বোর্ড এর কোন শিক্ষার্থীর রোল নম্বর যদি হয় 259663 তার বাংলার জন্যে আবেদন করতে লিখতে হবে এভাবেঃ RSC<স্পেস>JES<স্পেস>259663<স্পেস>101
এর পর ম্যাসেজটি 16222 এই নম্বরে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য আপনি একটি এসএমএস এ একসাথে একাধিক বিষয়ের জন্যে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কমা (,) দিয়ে বিষয়গুলোর কোড আলাদাভাবে লিখতে হবে। যেমন বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের আবেদন করতে হবে এভাবেঃ
RSC<স্পেস>JES<স্পেস>259663<স্পেস>101,107
এক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের এবং প্রতিটি পত্রের জন্যে ১২৫ টাকা করে চার্জ করা হবে।
ফিরতি এসএমএস এ কত টাকা কেতে নেওয়া হবে জানিয়ে আপনাকে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। আপনি রাজি থাকলে এর পর মাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেনঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>পিন নম্বর<স্পেস>আপনার সাথে যোগাযোগের একটি নম্বর (যে কোন অপারেটর এর)
উদাহরনঃ ধরুন ফিরতি এসএমএস এ প্রদত্ত আপনার পিন নম্বর হল 12345 এবং আপনার মোবাইল নম্বর 01913XXXXXX সেক্ষেত্রে আবেদন করবেন এভাবেঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>12345<স্পেস>01913XXXXXX
ব্যাস উপরের প্রক্রিয়াগুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে অনুসরণ করে থাকেন তাহলে সফলভাবে আপনার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
আবেদনের সময়সীমাঃ
এই প্রক্রিয়া সাধারণত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরদিন থেকে এক সপ্তাহব্যাপী চলে। ২০১৬ সালের ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া ১২-০৫-২০১৫ তারিখ থেকে ১৮-০৫-২০১৬ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

আবেদন করতে এসএমএস করবেন যেভাবেঃ

মোবাইল এর ম্যাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেন-
RSC<স্পেস>আপনার বোর্ড এর নামের প্রথম ৩ অক্ষর<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>বিষয় কোড
উদাহরণঃ যশোর বোর্ড এর কোন শিক্ষার্থীর রোল নম্বর যদি হয় 259663 তার বাংলার জন্যে আবেদন করতে লিখতে হবে এভাবেঃ RSC<স্পেস>JES<স্পেস>259663<স্পেস>101
এর পর ম্যাসেজটি 16222 এই নম্বরে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য আপনি একটি এসএমএস এ একসাথে একাধিক বিষয়ের জন্যে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কমা (,) দিয়ে বিষয়গুলোর কোড আলাদাভাবে লিখতে হবে। যেমন বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের আবেদন করতে হবে এভাবেঃ
RSC<স্পেস>JES<স্পেস>259663<স্পেস>101,107
এক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের এবং প্রতিটি পত্রের জন্যে ১২৫ টাকা করে চার্জ করা হবে।
ফিরতি এসএমএস এ কত টাকা কেতে নেওয়া হবে জানিয়ে আপনাকে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। আপনি রাজি থাকলে এর পর মাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেনঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>পিন নম্বর<স্পেস>আপনার সাথে যোগাযোগের একটি নম্বর (যে কোন অপারেটর এর)
উদাহরনঃ ধরুন ফিরতি এসএমএস এ প্রদত্ত আপনার পিন নম্বর হল 12345 এবং আপনার মোবাইল নম্বর 01913XXXXXX সেক্ষেত্রে আবেদন করবেন এভাবেঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>12345<স্পেস>01913XXXXXX
ব্যাস উপরের প্রক্রিয়াগুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে অনুসরণ করে থাকেন তাহলে সফলভাবে আপনার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আবেদনের সময়সীমাঃ

এই প্রক্রিয়া সাধারণত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরদিন থেকে এক সপ্তাহব্যাপী চলে। ২০১৬ সালের ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া ১২-০৫-২০১৫ তারিখ থেকে ১৮-০৫-২০১৬ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে। - See more at: http://www.asunjani.com/2016/05/ssc-folafol-purno-nirikkhon.html#sthash.1nxiX4Wh.dpuf

আবেদন করতে এসএমএস করবেন যেভাবেঃ

মোবাইল এর ম্যাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেন-
RSC<স্পেস>আপনার বোর্ড এর নামের প্রথম ৩ অক্ষর<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>বিষয় কোড
উদাহরণঃ যশোর বোর্ড এর কোন শিক্ষার্থীর রোল নম্বর যদি হয় 259663 তার বাংলার জন্যে আবেদন করতে লিখতে হবে এভাবেঃ RSC<স্পেস>JES<স্পেস>259663<স্পেস>101
এর পর ম্যাসেজটি 16222 এই নম্বরে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য আপনি একটি এসএমএস এ একসাথে একাধিক বিষয়ের জন্যে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কমা (,) দিয়ে বিষয়গুলোর কোড আলাদাভাবে লিখতে হবে। যেমন বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের আবেদন করতে হবে এভাবেঃ
RSC<স্পেস>JES<স্পেস>259663<স্পেস>101,107
এক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ের এবং প্রতিটি পত্রের জন্যে ১২৫ টাকা করে চার্জ করা হবে।
ফিরতি এসএমএস এ কত টাকা কেতে নেওয়া হবে জানিয়ে আপনাকে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। আপনি রাজি থাকলে এর পর মাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেনঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>পিন নম্বর<স্পেস>আপনার সাথে যোগাযোগের একটি নম্বর (যে কোন অপারেটর এর)
উদাহরনঃ ধরুন ফিরতি এসএমএস এ প্রদত্ত আপনার পিন নম্বর হল 12345 এবং আপনার মোবাইল নম্বর 01913XXXXXX সেক্ষেত্রে আবেদন করবেন এভাবেঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>12345<স্পেস>01913XXXXXX
ব্যাস উপরের প্রক্রিয়াগুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে অনুসরণ করে থাকেন তাহলে সফলভাবে আপনার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আবেদনের সময়সীমাঃ

এই প্রক্রিয়া সাধারণত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরদিন থেকে এক সপ্তাহব্যাপী চলে। ২০১৬ সালের ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া ১২-০৫-২০১৫ তারিখ থেকে ১৮-০৫-২০১৬ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে। - See more at: http://www.asunjani.com/2016/05/ssc-folafol-purno-nirikkhon.html#sthash.1nxiX4Wh.dpuf

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১৬

2 টাকায় গ্রামীণ ফোনের মেগাবাইটের মেয়াদ বাড়ান 30 দিন


 Flexiplan সিস্টেম চেঞ্চ করার কারনে অনেকের মেগাবাইটের ডেট বাড়াতে কষ্ট হচ্ছে বা মেগাবাইটের ডেট বাড়াতে পারছেন না।তাদের জন্য নিয়ে এলাম সুখবর।
মাত্র ১.১৮ টাকায় বাড়ান মেগাবাইটের মেয়ান ৩০ দিন
আপনাকে যা যা করতে হবেঃ
  • প্রথমে নেট ডিএক্টিভ করুনঃ*5000*0*4*3#
  • ইজি নেট একটিভ করতে ডিইয়াল করুনঃ*500*55#
  • সবশেষে ডায়াল করুন *5000*8*1*1*2#
 ব্যাস বেড়ে গেল ৩০ দিন মেয়াদ

শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

জেনে রাখা ভাল, জমি জমা সংক্রান্ত তথ্য

=খতিয়ান কি?
=সি এস খতিয়ান কি?
=এস এ খতিয়ান কি?
=আর এস খতিয়ান কি?
=বি এস খতিয়ান কি?
=পর্চা কি?
=চিটা কি?
=দখলনামা কি?
=বয়নামা কি?
=জমাবন্দি কি?
=দাখিলা কি?
=হুকুমনামা কি?
=জমা খারিজ কি?
=মৌজা কি?


''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ

মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে
খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি,
খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে
সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য।
=সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য
পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি
মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়।
বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
=বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
=দাগঃ
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
সরেজমিনে জরিপ করার পর আমিন বা জমি পরিমাপকারী সর্ব প্রথম গ্রামের চতুঃসীমা নির্ধারণ করেন এবং গ্রামের প্রতিটি ভূমিখ-
পরিমাপ করে তার অবস্থান ওই গ্রামের প্রস্তুয়মান নকশায় প্রদর্শন করার জন্য সংখ্যায়িত করেন। এভাবে নকশায় প্রদর্শিত প্রতিটি ভূমিখন্ডের সংখ্যাকে দাগ নম্বর বলে। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
=পর্চা কীঃ
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকেরনিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
=চিটাঃ
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
=দখলনামাঃ
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র।
সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই
সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট
থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
=বয়নামাঃ
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা
নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
=জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
=দাখিলাঃ
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে রশিদ প্রদান করা হয় তা
দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
=হুকুমনামাঃ
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
=জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
=মৌজা কিঃ
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।

রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

অতি গুরুত্বপূর্ণ, নিজের জন্য জানুন, অন্যকেও জানান



স্বাস্থ্য টিপস্
আমরা জানি কিডনি ছাড়া আমরা অচল, তাই কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে হলে আমাদের প্রত্যেকেরই কিডনি সম্পর্কিত নিয়ম পালন করা উচিত। কিন্তু আমাদের অগোচরেই অনেক সময় কিছু অসাবধানতার কারণে আমরা কিডনির ক্ষতি করছি।



জেনে নেই কিডনি নষ্টের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কারণসমূহ:

১। প্রস্রাব আটকে রাখা।

২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।

৩। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া।

৪। যেকোন সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।

৫। মাংস বেশি খাওয়া।

৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।

৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।

৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।

৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।

১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া। মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণ কিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচে থাকাও আর সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে শরীরের যত্ন নিন। সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন এই শুভ কামনাই আমাদের আপনাদের প্রতি।

বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৬

কি করবেন আপনার বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে............

আজ আমি আপনাদেরকে জানাতে চাই আমাদের অতি প্রযোজনীয় একটা বিষয় । কি করনী যখন কারও বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে যাবে । আমি দোয়া করি যেন কারও এমনটা না হয় তারপরও যদি হয়ে যায় তবে নিচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন ।

প্রথমে যা করবেনঃ সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করবেন ।জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখবেন । এরপর যে কোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তি দিবেন । বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করবেন ।থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করবেন । এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিবেন । টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির কপি জমা দিতে হবে হবে ।
আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃআবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
কত টাকা লাগবেঃসাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।

বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৬

সিরিয়াল কী খোজার সিষ্টম ...

মন আছেন সবাই। ভালো তো? ভাল থাকলেই ভাল লাগে। আর ভাল না থাকলে আশা করি এই টিউন পড়ার পর ভাল হয়ে যাবে।
এখন আর সমস্যা নেই আপনার সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কি বের করার জন্যে। আমরা যখন সফটওয়্যার ব্যবহার করি তখন দেখা যায় বেশির ভাগ ডেমো ভার্সন থাকে। আর এই ডেমো ভার্সনকে অরজিনাল করার জন্যে দরকার Crack File বা Serial Key.
আর এই সিরিয়াল কি বের করার সহজ উপায় নিয়েই আমি আজ হাজির হয়েছি আপনারদের সমানে। আশা করি এর মাধ্যমে সহজেই আপনার সফটওয়্যারের সিরিয়াল কি বের করতে পারবেন।
তো চলুন দেখা যাক কিভাবে এটি করব !!!
১। প্রথমে Google এ যান
২। তারপর সার্চ বক্সে আপনার সফটওয়্যারের নাম এবং সাথে যোগ চিহ্ন দিয়ে এই কোডটি (94fbr) লিখুন। অন্যথায় নিচের ছবিটি দেখুন।

ঠিক এভাবেই লিখুন তারপর দেখুন নিচের ছবির মত আসবে।

তারপর এখানে থেকেই আপনি নিয়ে নিন আপনার সফটওয়্যারের সিরিয়াল কি।