কয়রা উপজলার কাটকাটা পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা
এক পাশে কপোতাক্ষ, অন্য পাশে শাকবাড়িয়া নদী। অদূরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সুন্দরবন। সুন্দরবন আর দুই নদীর মাঝের স্থানটির নাম কাটকাটা। সুন্দরবন থেকে সংগৃহীত কাঠ এখানে এনে কাটা হয় বলে হয়তো স্থানটি এ নামে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। এখানে আজো বাস করেন বেশকিছু আদিবাসী মুণ্ডা মাহাতো পরিবার। স্থানীয়রা জানান, পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান কয়রার কাটকাটা। পরিকল্পিতভাবে এখানে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে এলাকার চালচিত্র বদলে যাবে। পর্যটন কেন্দ্র ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন নতুন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থানের। সরকারি কোষাগারে জমা হবে লাখ টাকার টাকার রাজস্ব।
জানা গেছে, খুলনার কয়রা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দক্ষিণে কাটকাটার অবস্থান। এখানে দাঁড়ালে উপভোগ করা যায় সুন্দরবনের কয়েক কিলোমিটার এলাকার সৌন্দর্য। শোনা যায়, এখান থেকে সুন্দরবনের বাঘ, হরিণ ও পাখপাখালির ডাকও শোনা যায়। যে কারণে স্থানটি ঘুরে দেখতে বছরজুড়ে দেশী-বিদেশী পর্যটক ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। কাটকাটাকে পরিকল্পিভাবে পর্যটন উপযোগী এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট, দুবলারচর, কটকা-কচিখালী, করমজলের মতো দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠবে। সুন্দরবনের অন্য দর্শনীয় স্থানগুলো যেমন লোকালয় থেকে অনেক দূরে, তেমনি সেসব স্থানে পর্যটকদের পৌঁছতে অনেক কষ্ট করতে হয়। তবে কাটকাটা এলাকায় সহজে পৌঁছানো সম্ভব এবং এখানে বসে ২৪ ঘণ্টা সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটক- দর্শনার্থীরা। একই সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত কপোতাক্ষ নদের সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন।
সুন্দরবন নিয়ে কাজ করেন, এমন একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা জিয়া উদ্দীন আহমেদ বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন এ এলাকাকে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে একদিকে কমবে বনের ওপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরশীলতা, অন্যদিকে এলাকার অধিকাংশ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পর্যটন খাতে সুন্দরবন থেকে বছরে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়, তা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। কাটকাটাকে পর্যটক শিল্পের অপার সম্ভাবনার স্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়কপথে সহজে এখানে পৌঁছানো যায় ।এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এখানে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে সুদৃঢ়। ফলে এখানে দেশী এবং বিদেশী পর্যটকের প্রচুর সমাগম হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুন্দরবনের এক বন কর্মকর্তা বলেন, কাটকাটা থেকে সহজে হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চরে পৌঁছানো যায়। এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে সুন্দরবনের বিশাল অংশের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি সাগর উপকূলের নদ-নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। এছাড়া পর্যটক ও নিরাপত্তাকর্মীদের আনাগোনায় সুন্দরবনের অবৈধ অনুপ্রবেশ অনেকাংশে কমে যাবে।
## কপি করা ##
এক পাশে কপোতাক্ষ, অন্য পাশে শাকবাড়িয়া নদী। অদূরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি সুন্দরবন। সুন্দরবন আর দুই নদীর মাঝের স্থানটির নাম কাটকাটা। সুন্দরবন থেকে সংগৃহীত কাঠ এখানে এনে কাটা হয় বলে হয়তো স্থানটি এ নামে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। এখানে আজো বাস করেন বেশকিছু আদিবাসী মুণ্ডা মাহাতো পরিবার। স্থানীয়রা জানান, পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান কয়রার কাটকাটা। পরিকল্পিতভাবে এখানে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে এলাকার চালচিত্র বদলে যাবে। পর্যটন কেন্দ্র ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন নতুন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থানের। সরকারি কোষাগারে জমা হবে লাখ টাকার টাকার রাজস্ব।
জানা গেছে, খুলনার কয়রা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দক্ষিণে কাটকাটার অবস্থান। এখানে দাঁড়ালে উপভোগ করা যায় সুন্দরবনের কয়েক কিলোমিটার এলাকার সৌন্দর্য। শোনা যায়, এখান থেকে সুন্দরবনের বাঘ, হরিণ ও পাখপাখালির ডাকও শোনা যায়। যে কারণে স্থানটি ঘুরে দেখতে বছরজুড়ে দেশী-বিদেশী পর্যটক ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। কাটকাটাকে পরিকল্পিভাবে পর্যটন উপযোগী এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট, দুবলারচর, কটকা-কচিখালী, করমজলের মতো দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠবে। সুন্দরবনের অন্য দর্শনীয় স্থানগুলো যেমন লোকালয় থেকে অনেক দূরে, তেমনি সেসব স্থানে পর্যটকদের পৌঁছতে অনেক কষ্ট করতে হয়। তবে কাটকাটা এলাকায় সহজে পৌঁছানো সম্ভব এবং এখানে বসে ২৪ ঘণ্টা সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটক- দর্শনার্থীরা। একই সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি বিজড়িত কপোতাক্ষ নদের সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন।
সুন্দরবন নিয়ে কাজ করেন, এমন একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা জিয়া উদ্দীন আহমেদ বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন এ এলাকাকে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে একদিকে কমবে বনের ওপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরশীলতা, অন্যদিকে এলাকার অধিকাংশ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পর্যটন খাতে সুন্দরবন থেকে বছরে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়, তা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। কাটকাটাকে পর্যটক শিল্পের অপার সম্ভাবনার স্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়কপথে সহজে এখানে পৌঁছানো যায় ।এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এখানে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও থাকবে সুদৃঢ়। ফলে এখানে দেশী এবং বিদেশী পর্যটকের প্রচুর সমাগম হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুন্দরবনের এক বন কর্মকর্তা বলেন, কাটকাটা থেকে সহজে হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চরে পৌঁছানো যায়। এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে সুন্দরবনের বিশাল অংশের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি সাগর উপকূলের নদ-নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। এছাড়া পর্যটক ও নিরাপত্তাকর্মীদের আনাগোনায় সুন্দরবনের অবৈধ অনুপ্রবেশ অনেকাংশে কমে যাবে।
## কপি করা ##

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন